কুড়িগ্রাম অফিস
কুড়িগ্রাম সদর উপজেলা অডিটরিয়ামে গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তিসংক্রান্ত এক সভা চলছিল। এ সময় উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা আরিফ আহমেদ শিক্ষিকাদের এখন থেকে স্কার্ফ পরে স্কুলে যাওয়ার নির্দেশ দেন। এ নিয়ে শিক্ষিকারা প্রতিবাদ করলে শিক্ষা কর্মকর্তা এক শিক্ষিকাকে ধমক দিয়ে অশ্লীল কিছু কথা বলেন। অপমান ও লজ্জায় ওই শিক্ষিকা অচেতন হয়ে পড়েন। ঘটনার প্রতিবাদে সব শিক্ষক সভা বর্জন করেন।
অচেতন শিক্ষিকাকে সঙ্গে সঙ্গে কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। বর্তমানে তিনি কার্ডিওলজি বিভাগে চিকিৎসাধীন আছে। সভার ওই ঘটনার পর অবস্থা বেগতিক দেখে জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা খলিলুর রহমান তাৎক্ষণিকভাবে নিজের গাড়িতে করে আরিফ আহমেদকে কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতালে পৌঁছে দেন।
শিক্ষিকাকে গালি দেওয়ার কথা স্বীকার করে আরিফ আহমেদ ঔদ্ধত্যের সঙ্গে প্রথম আলোকে বলেন, ‘বেয়াদপি করার কারণে তাঁকে গালি দিয়েছি। আপনারা কত লিখতে পারেন লেখেন।’ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা খলিলুর রহমান বলেন, এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
সূত্র: প্রথম আলো, ২৬ জুন, ২০০৯
Filed under: সাম্প্রতিক | Tagged: কর্মকর্তা, প্রশাসন, শিক্ষক, শিক্ষা
