কুড়িগ্রাম শহরে জলাশয় এমনিতে খুব কম। নেই বললেই চলে। শহরের মধ্যে ডাকবাংলোর ভিতরে, জেলা শিক্ষা অফিসের ভিতরে, ডিসি অফিসের পাশে, পৌরসভার উত্তরে পুকুর আছে। পৌরসভার পিছনেরটা ছাড়া আর কোনটাই রাস্তার সাথে নয়। শিক্ষা অফিসের সীমানার ভিতরের পুকুরটি স্নানের জন্য ততোটা ব্যবহার করা হয় না। এগুলো ছাড়া পুকুর বা জলাশয় আছে খলিলগঞ্জ এলাকায়। সেখানে মূল রাস্তার সাথে একটা বড় পুকুর ও কয়েকটা ডোবা আছে। নীচের ছবিটি বড় পুকুরের। দু:খজনক হচ্ছে কিছুদিন পর এই পুকুরটি আর থাকবে না। উত্তরাধিকারসূত্রে পুকুরটা ২০-২২ জনের ভাগে পড়েছিল। সকলে অল্প অল্প করে ভাগ পেয়েছে। ইদানীং এদের সবার ভাগ একজনে কিনে নিয়েছে। তিনি কিছুদিন পর এখানে বাণিজ্যিক বিপনী বিতান গড়ে তুলবার কথা চিন্তা করছেন। বাণিজ্যিক প্রয়োজনের কাছে পরিবেশগত প্রয়োজনীয়তার কথা চিন্তা না করাটাই বোধহয় স্বাভাবিক। আর এ জন্য কাউকে দোষ দেয়াও সম্ভব নয়। কারণ যিনি কিনবেন তিনি তার লাভের কথা কেন চিন্তা করবেন না?
Filed under: পরিবেশ, পৌরসভা, শহর | Tagged: কুড়িগ্রাম, জলাশয়, পরিবেশ, পুকুর, শহর







sotti, amra ki nisthurer moto achoron korchi. prokriti er protishod nebei nebe.
thanks for the post