আজ এন সি সি বা নেচার কনজারভেশন কমিটি এবং আই ইউ সি এন এর যৌথ উদ্যোগে কুড়িগ্রাম পাবলিক লাইব্রেরিতে ‘অতিথি পাখি এবং বার্ড ফ্লু’ সংক্রান্ত একটি কর্মশালা অনুষ্ঠিত হলো।
এখানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিশিষ্ট পাখি বিশেষজ্ঞ ‘সাজাহান সরদার’। কর্মশালাটিতে আরও বক্তব্য রাখেন অধ্যাপক তপন কুমার রুদ্র, শিল্পী বাদল খন্দকার, নৃত্যশিল্পী দুলু, লাইব্রেরিয়ান নুরজামাল বাবু এবং সুশান্ত বর্মনসহ কয়েকজন। সঞ্চালনা করেছেন রাশেদুল ইসলাম বাবু। অনুষ্ঠানটির সমন্বয়ক ছিলেন সৈয়দপুরের ম্যারিগোল্ড স্কুলের অধ্যক্ষ রুকসানা জামান শানু।
বেশ তথ্যবহুল আলোচনা সবাই করেছে।উপস্থিত দর্শক শ্রোতারা প্রাণবন্ত আলোচনার মাধ্যমে তাদের অনেক অজানা প্রশ্নের উত্তর খুজে পেল।
- বার্ড ফ্লুতে কোন পাখি মারা গেলে তার ১ কি.মি. এর মধ্যে সব গৃহপালিত পাখিকে মেরে ফেলতে হবে।
- মানুষের সর্দির মতোই বার্ড ফ্লু এর সব লক্ষণ।
- মরা পাখি মাটির ৮ ফুট নীচে পুতে ফেলতে হবে। তার উপর অন্তত: ৩ ফুট মাটি দিয়ে চাপা দিতে হবে যেন শেয়াল কুকুর মাটি খুড়তে না পারে।
- পরিয়ায়ী পাখিদেরকে পর্যবেক্ষণ করতে হবে যে তাদের মধ্যে কোনটির বার্ড ফ্লু রোগ হয়েছে কিনা।
- বার্ড ফ্লু রোগের কোন প্রতিষেধক নেই। তাই আক্রান্ত হওয়ার আগেই সতর্ক হওয়া প্রয়োজন।
- বিশ্বের ৭৫টি দেশে বার্ড ফ্লু ছড়িয়ে পড়েছে।
- ভাইরাসজনিত কোন রোগের কোন প্রতিষেধক আবিষ্কৃত হয়নি। আর বার্ড ফ্লু বা এভিয়ান ইনফ্লুয়েঞ্জা একটি ভাইরাসজনিত রোগ।
- আক্রান্ত এলাকায় তিনমাস পর্যন্ত কোন হাস মুরগী কবুতর পোষা যাবেনা।
- তিন মাস পর এলাকায় পরীক্ষামূলকভাবে দুএকটি মুরগী পুষে দেখতে হবে যে আক্রান্ত হচ্ছে কিনা।
- যদি আক্রান্ত হয় তাহলে আবার তিন মাসের জন্য নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকবে।
- বার্ড ফ্লু হলে মানুষের ফুসফুস নষ্ট হয়ে যায়।
- কুড়িগ্রামের ‘বেজীর ভিটা’ বা ‘নীলারাম’ নামক এলাকায় প্রথম বার্ড ফ্লু এর সন্ধান পাওয়া যায়। সেখানে মুরগী- ১৩৭২টি, হাস- ৪৬টি, কবুতর- ২০টি এবং ১৯০টি ডিম নষ্ট করে ফেলা হয়।
- হাসমুরগীর পায়খানা দিয়েও এই রোগ ছড়ায় অতএব হাসমুরগীর পায়খানা মাছের খাবার বা সার হিসেবে ব্যবহার করা যাবেনা।
- রাণীক্ষেত ও বার্ড ফ্লু এর লক্ষণ প্রায় একই।
শ্রোতাদের একাংশ
বক্তব্য দিচ্ছেন পাখি বিশেষজ্ঞ ‘সাজাহান সরদার’
লাইব্রেরির সামনে কয়েকজন
Filed under: কর্মতৎপরতা, সচেতনতা | Tagged: সচেতনতা, পরিবেশ, বার্ড ফ্লু, পাখি, পরিযায়ী পাখি

