- মুরগির পালকগুলো ফুলে উঠবে, খাড়াখাড়া হবে, এলোমেলো হবে।
- নাক দিয়ে শ্লেষা পড়বে, বসে বসে ঝিমুবে, নখ কালো হয়ে যাবে।
- মানুষের ক্ষেত্রেও প্রায় একই লক্ষণ।
- সর্দিজ্বর হবে, নাক দিয়ে শ্লেষা পড়বে, সর্দি, হাচিঁ, কাশি হবে।
- মনে হতে পারে যে সর্দিজ্বর হয়েছে।
- মৃত মুরগী বা পাখিকে ৮ ফুট মাটির নীচে পুতে ফেলতে হবে।
- মরা প্রাণীর উপর চুন দিতে হবে। এর উপরে কমপক্ষে ৩ ফুট মাটি চাপা দিতে হবে। যেন কুকুর শেয়াল কবর খুঁড়তে না পারে।
- কোথাও কোন পাখি বা মুরগী মারা গেলে তা নিজে ধরা বা তোলা যাবেনা। সঙ্গে সঙ্গে স্থানীয় কমিশনারকে জানাতে হবে অথবা নিকটস্থ প্রশাসন কিংবা পশু সম্পদ অফিসকে জানাতে হবে। তারা যথাযথ নিরাপত্তাপোষাক পড়ে সেই মৃত পাখিটিকে অপসারন করবে এবং নমুনা সংগ্রহ করে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানাবে। মৃত পাখিটি সত্যিই বার্ড ফ্লুতে মারা গেছে কিনা তাও নিশ্চিত করার দায়িত্ব তাদের।
- কোথাও কোন পাখি বার্ডফ্লুতে মারা গেছে এটা নিশ্চিত হওয়ার পর চারপাশের ১ কি.মি. জায়গার সমস্ত পাখি ও ডিম ধ্বংস করতে হবে।
- পরবর্তী ৩ মাসের জন্য সেখানে সবধরণের পাখি পোষা নিষিদ্ধ করা হবে। তিন মাস পর কয়েকটি মুরগী এলাকায় কয়েকদিন রেখে দেখতে হবে যে সেগুলো আক্রান্ত হচ্ছেকিনা। যদি না হয় তাহলে জায়গাটা বার্ড ফ্লু মুক্ত হয়েছে বলে ধরা হবে আর যদি আবার আক্রান্ত হয় তাহলে পরবর্তী তিন মাসের জন্য আবারও নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকবে।
- ১কি.মি. দূর থেকে বাতাসে ভেসে এসে বার্ড ফ্লুর জীবাণূ দ্বারা সংক্রমণ ঘটতে পারে।
- বাজার থেকে নিয়ে আসা ডিম সাবান দিয়ে ভালোভাবে ধুতে হবে। মুরগী জবাই করার পর রক্ত এবং অন্যান্য বর্জ্যগুলো মাটির খুব গভীরে পূতে ফেলতে হবে। হাত বা শরীরের খোলা অংশগুলো সাবান দিয়ে খুব ভালোভাবে ধুতে হবে।
- আমরা যে তাপমাত্রায় রান্না করি তা বার্ড ফ্লু’র জীবাণু ধ্বংস হয়।
- সতর্ক থাকাটাই বার্ড ফ্লু রোগ থেকে মুক্ত থাকার অন্যতম উপায়।
- পরিযায়ী পাখির মাধ্যমে এই রোগ দেশে বিদেশে ছড়িয়ে যাচ্ছে। অতএব তাদের সাথে যেন গৃহপালিত পাখিরা মিশতে না পারে সেদিকে সতর্ক লক্ষ্য রাখতে হবে।
Filed under: তথ্য, পরিবেশ, সচেতনতা | Tagged: পরিবেশ, পরিযায়ী পাখি, পাখি, বার্ড ফ্লু, সচেতনতা
